ঈশ্বর-দত্ত রণসজ্জায় সজ্জিত হও
ইফিসীয় 6:10-18
10
শেষ কথা এই, তোমরা প্রভুর বলে বলীয়ান হও, তাঁরই পরাক্রমে হও পরাক্রান্ত।
11
ঈশ্বর-দত্ত রণসজ্জায় সজ্জিত হও যেন শয়তানের সমস্ত ছল-চাতুরীর বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পার।
12
কারণ আমাদের সংগ্রাম কোন মানুষের বিরুদ্ধে নয়, কিন্তু শাসন-নীতি ও কর্তৃত্বের বিরুদ্ধে, কিন্তু শাসন-নীতি ও কর্তৃত্বের বিরুদ্ধে, তামসালোকের অধিপতিদের বিরুদ্ধে অতিপ্রাকৃত জগতের অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে।
13
সেইজন্যই তোমরা ঈশ্বর-দত্ত বর্মে সজ্জিত হও, যেন সেই দুর্দিনে প্রতিরোধ করতে পার এবং তোমাদের কর্তব্য সমাপন করার পরেও স্থির থাকতে পার।
14
প্রতিরোধের জন্য দৃঢ় হয়ে দাঁড়াও। সত্য হোক তোমার কটিবন্ধ, ধার্মিকতা ও বক্ষত্রাণ
15
শান্তির সুসমাচার প্রচারের উদ্যোগেই হোক তোমার পাদুকা।
16
সর্বদা বিশ্বাসই হবে তোমার ঢাল, তার সাহায্যে অশুভ শক্তির অগ্নিবাণ প্রতিহত করতে পারবে।
17
ধারণ কর পরিত্রাণের শিরস্ত্রাণ, হাতে নাও পবিত্র আত্মার তরবারি —ঈশ্বরের বাক্য।
18
ভক্তজনের জন্য পবিত্র আত্মার সহায়তায় সর্ব অবস্থায় বিনতি ও প্রার্থনা কর। এই বিষয়ে সজাগ থাক।
ভালাবাসা চিরসহিষ্ণু, চিরমধুর
4
ভালাবাসা চিরসহিষ্ণু, চিরমধুর। ভালবাসা ঈর্ষা করে না, আত্মাভিমান করে না
5
গর্বোদ্ধত হয় না, রূঢ় আচরণ করে না, স্বার্থসিদ্ধির চেষ্টা করে না, ভালবাসা ধৈর্য হারায় না, অপকারের কথা মনে রাখে না।
6
ভালবাসা কারও অধর্মাচরণে আনন্দ লাভ করে না, সত্যেই তার পরম প্রীতি।
7
ভালবাসা অবিচল, সবকিছু বিশ্বাস করে, সবকিছু আশা করে, সর্ব অবস্থায় ধৈর্য ধারণ করে।
8
ভালবাসা কখনও শেষ হয় না। ভাবোক্তির অবসান হবে, দুর্বোধ্য ভাষা থেমে যাবে, জ্ঞান লুপ্ত হবে
9
কারণ আমাদের জ্ঞান অসম্পূর্ণ, আমাদের ভাবোক্তিও আংশিক।
10
পূর্ণ জ্ঞান লাভের পর অসম্পূর্ণতার কোন অস্তিত্ব আর থাকবে না।
11
আমি যখন শিশু ছিলাম তখন শিশুর মত কথা বলতাম, চিন্তা করতাম এবং সিশুর মতই বিচার করতাম। সাবালক হওয়ার পর আমি শিশুসুলভ আচরণ পরিত্যাগ করেছি।
12
এখন আমরা দর্পণে প্রতিফলিত অস্পষ্ট রূপ দেখছি, কিন্তু তখন মুখোমুখি হয়ে ঈশ্বরের স্পষ্টরূপ দেখব। এখন আমি তাঁকে আংশিকভাবে জানি, কিন্তু তখন তাঁর সঙ্গে হবে আমার পূর্ণ পরিচয় যেমন তিনি আমায় জানেন পরিপূর্ণভাবে।
13
এখন আছে শুধু বিশ্বাস, প্রত্যাশা ও ভালবাসা। আর এই তিনের মধ্যে ভালবাসাই শ্রেষ্ঠ।
বড়দিন বাইবেল পদ
তোমরা যখন নানাবিধ পরীক্ষার সম্মুখীন হবে তখন নিজেদের ভাগ্যবান বলে মনে করো।

2
বন্ধুগণ, তোমরা যখন নানাবিধ পরীক্ষার সম্মুখীন হবে তখন নিজেদের ভাগ্যবান বলে মনে করো।
3
একথা জেনো যে তোমাদের বিশ্বাসের যাচাইয়ের মধ্যে দিয়েই ধৈর্য উৎপন্ন হয়।
4
তোমরা শেষ পর্যন্ত ধৈর্য ধরে থাক তাহলে তোমরা হবে সিদ্ধ ও লাভ করবে জীবনের পূর্ণতা। কোন বিষয়ে তোমাদের দৈন্য থাকবে না।
5
তোমাদের কারও যদি জ্ঞানের অভাব হয়, ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করো, পাবে। তিনি কোন অনুযোগ না করে উদারহস্তে অকারতের সকলকে দিয়ে থাকেন।
6
কিন্তু মনে কোন সন্দেহ না রেখে বিশ্বাসে নিভ3র করে চাইতে হবে। কারণ যে সন্দেহ করে সে বায়ুতাড়িত ইতস্ততঃ বিক্ষিপ্ত সমুদ্র তরঙ্গের মত।
8
এই ধরণের দ্বিধাগ্রস্ত ব্যক্তি, যার মনের স্থিরতা নেই সে যেন প্রভুর কাছ থেকে কিছু পাওয়ার প্রত্যাশা না করে।
8
এই ধরণের দ্বিধাগ্রস্ত ব্যক্তি, যার মনের স্থিরতা নেই সে যেন প্রভুর কাছ থেকে কিছু পাওয়ার প্রত্যাশা না করে।
9
দরিদ্র খ্রীষ্ট বিশ্বাসী ভ্রাতাকে ঈশ্বর যখন মর্যাদায় উন্নীত করেন, তখন সে আনন্দিত হোক এবং
10
ধনী ভ্রাতার জীবনে ঈশ্বর যখন দৈন্যদশা আনেন, তখনও সে আনন্দিত হোক, কারণ ঘাসের ফুলের মতই সে লুপ্ত হবে।
11
সূর্যের উদয় হলে তার প্রখর তাপে তৃণ শুকায়, ঝরে পড়ে ফুল, নষ্ট হয়ে যায় তার সৌন্দর্য। বিত্তবানও সেইভাবে বিত্ত আহরণ করতে গিয়ে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
12
পরীক্ষা-সঙ্কটের মাঝে যে অবিচল থাকে সে-ই ধন্য, উত্তীর্ণ হলে সে জীবনমুকুট পাবে। যারা প্রভুকে ভালবাসে তাদের তিনি এই মুকুট দানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

